Skip to main content

Posts

Showing posts from May, 2022

পাখি আার শিকারির গল্প

                এক শিকারির আর পাখির গল্প  একবার এক শিকারি ছোট্ট একটি পাখি ধরে ফেললো। পাখিটি খুব বুদ্ধিমান ছিলো। পাখিটি শিকারির খুব প্রশংসা করতে লাগলাে যে, তুমি এতবড় শিকারি! জীবনে অনেক বাঘ মেরেছো, অনেক ভাল্লুক মেরেছা, এই করেছো, সেই আমি একটা ছোট্ট পাখি, আমার ওজন ১০০ গ্রামও না, আমাকে খেয়ে তুমি কী করবে? আমাকে খেলে তাে তােমার পেটের একটা কোনাও ভরবে না। তার চেয়ে বরং আমাকে ছেড়ে দাও তােমাকে এমন তিনটি মূল্যবান বাণী শােনাবাে, যা তোমার সারাজীবন কাজে দিবে এমনভাবে সে কথাবার্তা বলছিলো। সে শিকারির মন গলে গেল। কারণ তেল পেতে সবাই পছন্দ করে। আরেকজনকে গলানোর সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে তেল। ছােট পাখি খেয়ে কোনো লাভ নেই। তার চেয়ে শুনি, পাখিটা কী বলতে চায়। হয়তো এতে আমার লাভ বেশি হবে। শিকারি রাজি হওয়ায় পাথিটি বললো, আমি প্রথম বাক্যটি বলবো তোমার হাতের ওপর বসে, দ্বরিতীয় বাক্যটি বলবাে এই গাছের ডালে বসে, তৃতীয় বাক্যটি বলবো গাছের মগডালে বসে। শিকারি বললাো, ঠিক আছে। পাথি বললাে, 'কখনো অলীক কল্পনা করোে না, যা অবাস্তব সেটা কখনো বিশ্বাস করাে না।শিকারি বললো, খুব ঠিক কথা...

কুকর, কাকঁড়া ও শিয়ালের গল্প

              কুকর, কাকঁড়া ও শিয়ালের গল্প শিয়াল ও কুকুরের গল্প এক জনঙ্গল একটি শিয়াল ছিল। সে প্রতিদিন মানুষের বাড়ী থেকেও হাঁস-মুরগী চুরি করতো। কিন্তু সে যখন বৃদ্ধ হলাে, তখন শিকার করতে অক্ষম হয়ে পড়লো। তাই প্রায়ই সে চুরি করতে গিয়ে কুকুরের কাছে ধরা পরতো। ধরা পরার ভয়ে সে শিকার থেকে বিরত থাকতে চাইলাে। কিন্তু আহার না পেলে মৃত্যুর প্রহর গুনতে হবে। এনিয়ে সে বেশ চিন্তায় পড়ে গেল। হঠাৎ তার মাথায় একটি চমৎকার বুদ্ধি এলো। সে ভাবলো এবার আর অনাহারে কষ্ট করত হবে। অনায়াসেই পাওয়া যাবে অত্যন্ত সুস্বাদু খাবার! শয়ালের অন্যতম প্রধান  খাদ্য হচ্ছে কাঁকড়া। শিয়াল চিন্তা করলাে কাকড়া শিকার করেই সে বাকি দিনগুলি কাটাবে। ওখানে কুকুরেরও তাড়া খেতে হবেনা, আর বেশী শক্তিরও প্রয়োেজন হবেনা। কাকড়া শিকার করতে। কিন্তু যাবার সাথেই সাথেই কাকড়া তার গর্তে ঢুকলা। নিরূপায় হয়ে শিয়াল মশাই তার পান্ডিত্য প্রকাশের চিন্তা করতে লাগলো। হঠাৎ সে একটি মন ভুলানো গান রাচনা করলােঃ কাকুড়ি মাকুড়ি পরমা সুন্দরী, একটু বাহিরে এসো মোলাকাত করি। ভিতর থেকেই কাঁকড়া জবাব দিলঃ বাহিরে হেঁট...

গল্প নয় বাস্তব ঘটনা

                      একটি শিক্ষা মূলক গল্প  গল্প নয় সত্যি ঘটনা! এক লােকের একটা প্রভু ভক্ত কুকুর ছিল। লােকটা যখন বাইরে থেকে বাড়িতে আসতাে কুকুরটি তখন। লােকটার পায়ের কাছে এসে লেজ নাড়াতে নাড়াতে মালিকের কাপড় লােকটি যখন খেতে বসতো কুকুরটি তখন সামনে এসে বসে থাকতো। মালিক কিছু দিলে তাই খেতো। একদিন দুপুর বেলা লোকটি যখন খেতে বসলাে, কুকুরট তখন বরাবরের মত লােকটির সামনে এসে বস ছিল আর লেজ নাড়িয়ে, নাড়িয়ে মালিকের খাবার খাওয়া দেখছিল। লােকটি অনেক্ষন যাবত কুকুরতিকে কুকুরটি তার অবস্থান ছেড়ে মালিকের কাছাকাছি চলে গেলো, মালিক যদিতখন লােকটির মাথায় বিভিন্ন টেনশন কাজ করতেছিল। কুকুরটি যখন খাওয়ার জন্য লোকটির কাছে যেয়ে মুখ বাড়িয়ে দিল, তখন সব রাগ সেই কুকুরটির উপরে ঝাড়লাে। কুকুরটাকে লোকটি ইচ্ছেমত মারলাে। অবলা কুকুর আর কি বলবে? মাথা নিচু করে মালিকের মার খেলো এবং ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে উঠানের এক কোনে মাথা নিচু করে বসে রইলো। এরপর লোকটি বাইরে থেকে রাত্রে যখন বাড়িতে এলাে, তখন লোকটি তার সেই প্রভু ভক্ত কুকুরটিকে আর দেখতে পেলোনা। লােকটি সারা বাড়ি...

ত্যাগি সবসময় নিঃস্বার্থ ত্যাগি করে যায়

            তাগি সব সময় নিস্বার্থ ত্যাগ করে যায় অনেক অনেক দিন আগে একটি বড় আপেল গাছ ছিল। একটি বালককে গাছটি খুবে পছন্দ করতোে। বালকটিও প্রতিদিন এসে গাছের চারপাশে খেলতাে। গাছের ডালে উঠত। আপেল খত। সেও গাছটিকে খুব ভালবাসতাে আর আপেল গাছটি ও এতে খুবই আনন্দিত ছিল। সময় গড়িয়ে যায়, কিন্তু অনেক দিন বালক আর গাছের নিচে খেলতে আসে না। একদিন হটাৎ বালকটিআবার গাছের কাছে ফিরে এলে।গাছটি বললাে, তুমি আবার ফিরে আসায় আমি খুব আনন্দিত। এসাে, আবার খেলা শুরু করো কিন্তু বালকটি শুধালো, আমি এখন আর আগের বালকটি নেই। এখন আমি আর গাছের গুড়িতে দৌড়াদৌড়ি করে খেলা করি না। আমার এখন খেলনাচাই, কিন্তু খেলনা কিনতে টাকা প্রয়োজন। গাছটি বললো,কিন্তু আমার কাছে তো টাকা নেই। তুমি চাইলে আমার সকল আপেল পেরে বাজারে বিক্রি করে টাকা জোগাড় করত পারো। কথাটি বালকটির খুব মনপুত হলো। সে সব আপেল গাছ থেকে পেরে ব্যাগে করে নিয়ে বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হলো। বালকটি খুবআনন্দিত এবং বালকের আনন্দ দেখে গাছটিও খুব তৃপ্ত ও আনন্দিত হলো। আপেল পেরে নিয়ে যাওয়ার পর নেকদিন আর বালকটির দেখা নেই সেই আপেল গাছের গোঁড়ায়। গাছটি খুব ...

এক রাজার গল্প

                        এক রাজা গল্প  এক দেশে ছিল এক প্রতাপশালী রাজা। রাজা যেমন ছিল প্রতাপশালী তেমনি ছিল নৈতিক চরিত্রবান। একদিন রাজা তার সভাসদদের ডেকে বললেন, "আমি তা বৃদ্ধ হয়ে গেছি এখন আমার করা দরকার। এই কথা শুনে সভাসদ সবাই হতবাক। সভাসদ সবাই বলে উঠলাো, "রাজা মহাশয় আপনি তার নাম বলুন। আমরা তার আজ্ঞাবহ হয়ে যাব। রাজা বললেন, "সেটাই তাে সমস্যা। কার নাম বলবো, কাউকে তো আমার মত দেখছি না।" এই কথা শুনে সভাসদ সবাই আবারও অবাক। তারা ভাবছে রাজার এতগুলো।কাউকে দেখছে না কেন? হঠাৎ রাজা সভাসদকে হুকুম দিলন যে রাজে্যের যত কিশাের বালক আছে তাদেরকে একদিন রাজ্যের সকল কিশোরদের হাজির করানো হলা। রাজা সকল কিশােরদের উদ্দেশ্য ঘোষনা করলেন, "শােন বাছা আমি বৃদ্ধ হয়ে গেছি। আমি চাই তােমাদের মধ্য থেকে কেউ একজন রাজ্যের রাজা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করো। কিন্তু তোামাদের মধ্যে কে কিভাবে জানবো। সেটা বের করার জন্য তােমাদের এখানে ডেকেছি। এই ঘােষনা শুনে সব কিশোররা তাে মহা খুশি সাথে তাদের বাবা/মারাও। সবাই স্বপ্ন দেখতে শুরু করে দিল যে এবার রাজা গন্ভীর কণ্ঠে আবার ঘোষন...

দুর্বলকে কখনো অবহেলা করো না

  দূর্বলকে কখনো অবহেলা করা ঠিক না। এক গ্রামে অনেক গুলো সবল ছেল পেলেদের মধ্যে একটি মাত্র দূর্বল ছেলে। তাই সবাই তাকে কিছুটা অবজ্ঞা করেই চলত। দূর্বল ছেলেটির খেলাধুলা কিংবা অন্য কোন কিছুতে অংশগ্রহন ছিল না বললেই চলে। গ্রামের ছেলে পেলেরা ছোট একটা নদী অপর পারে পাহাড়ের কোল মাঠের মত একটা জায়গায় খেলতে যেত। দূর্বল ছেলেটিও সংগে যেত, যদিও মাঠের একপাশে বসিয়ে রাখা হত তাকে। গাজ পালায় ঢেকে থাকা বনটতে ভয়ংকর সব পশুর আনাগোনাও ছিল, যদিও দিনের বেলায় মাঠের দিকটা ছিল নিরাপদ। ঝড়াে আবহাওয়ার এক বিকেলে, সব ভয়কে উপেক্ষা করেই গ্রামের ছেলে পেলেরা রওয়ানা দিল খেলার মাঠের দিকে। বিকেল যতই গড়াতে লাগল ঝড়ের বেগও বাড়তে লাগল পাল্লা দিয়ে। ঝড় একসময় তীব্র রূপ ধারন করল। টনক নড়ল ছেলেগুলোর, দৌড়ে আশ্রয় নিল গূহার মত একটি জায়গায়। দূর্বল ছেলেটি আগে থেকেই ওখানে আশ্রয় নিয়েছিল। ঝড় তখন দানবীয় রূপে গাছপালা সব তছনছ করে ফেলছে। একটি গাছ শেকড়শহ উপড়ে এসে পড়ল গূহার মুখে। ঝড় কিছুটা কমে আসতেই ছেলেগুলা হাতলাগালাে গাছটাকে সরানোর। কাজটি তাড়াতারি সাড়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠল তারা। সন্ধ্যার ঘনিয়ে আসা অন্ধকার ভয়ের মাত্...

বিনা চেষ্টায় লাভবান

                    বিনা চেষ্টায় লাভবান                                      একটা হরিন নিয়ে এক সিংহ আর ভালুকের মধ্যে এমন লড়াই হলো যে দুই জনই রীতিমত জখম হয়ে পড়ল, নড়বার শক্তি রইলনা কারোরই, একেবারে সংজ্ঞাহীন মৃত প্রায়। এক শিয়াল ঐ পথ দিয়ে যেতে যেতে দুই মহাবীরের ঐ অবস্থা দখে এবং একটা হরিন দুইজনের মাঝে পড়ে থাকতে দেখে সে সেটা কামড়ে ধরে হাটা  দিল। উথান শক্তি রহিত এরা দুজন তখন নিজেদের মধ্যে বলাবলি করতে লাগল, -ভাগ্য আর কাকে বলে, হরিণটার জন্য আমরা লড়াই করে মরলাম, আর কিছু না করে সেটা পেয়ে গেল একটা শিয়াল। ➤ উপদেশ নিজেদের পরিশ্রমল্ধে ধন যখন নিজেদের ভােগে না এসে নিস্করমা অপরের ভােগে লেগে যায় তখন সেটা দুঃখের কারন হয়ে দাঁড়ায় বই কি!

শিক্ষা মুলক হাসির গল্প

                                শিক্ষামূলক হাসির গল্প কোনাে এক সময় আরবের এক মরুভূমির পার্ষ্বে সেই রাজ্যটি চলত এক অভ্ভুত নিয়মে। প্রতি দশ বছর পর পর ওই রাজে্য রাজা বদল হতাে এবং প্রজাদের ভোটেই রাজার নির্বাচন সম্পন্ন হতা। নির্বাচিত রাজা তার দশ বছরের শাসনকালে যা ইচ্ছে করতে পারত। প্রজাদের কাছে তাকে কোনো জবাবদিহি করতে তাকে প্রথম দিনই বলে দেয়া হতো যে, তোমার এই দশ বছরের শাসনকালে তুমি সম্পূর্ণ স্বাধীন। যেমন খুশি তেমন দেশ চালাতে পারবে, রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে যত টাকা ইচ্ছা ব্যয় ও ভোেগ কিন্তু দশ বছর ফুরিয়ে গেলে তোেমার ঠিকানা হবে পার্শ্ববর্তী মরুভূমির শুস্ক প্রান্তর। সেখানে ছায়া নেই, পানি নেই এবং খাবার নেই। রােদে পুড় ক্ষুধা ও পিপাশায় ছটফট করে এসব কথা শুনে যে ব্যক্তি রাজি হতো এবং যার ভেতরে শাসকসুলভ প্রয়োজনীয় যোগ্যতার পরিচয় পাওয়া যেত, তাকেই সিংহাসনে বসানাে হতাে। রাজার অভিষেক হতোা মহা ধুমধামে। আবার যেদিন তার দিন ফুরিয়ে যেত, সেদিনও তাকে হাত- পা বেঁধে অত্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে রেখে আসা হতো মরুভূমির নির্দিষ্ট জায়গায় এক...

অহংকারের ফল

  এক পালায়ান মল্লযুদ্ধে খুব পারদর্শিতা অর্জন করেছিল। মল্লবিদ্যায় সে তিনশত ষাটটি কৌশল আয়ত্ব করেছিল। নিত্য নতুন কায়দায় সে কুস্তি লড়ত। কাজেই সে সময়ের কোন কুস্তিগীর তার সাথে মল্লযুদ্ধে তার বহু শিষ্য ছিল। তার মধ্যে একজন রুপ-গুণে ওস্তাদের অত্যন্ত প্রিয় পাত্র ছিলেন। দুরদ্শী ওস্তাদ তাকে তিনশত উণষাটটি কৌশল শেখান, একটা বিশেষ কৌশল শিখালেন না। সেই যুবক শক্তি-সমর্থ্য ও কলা- কৌশলে অল্পদিনের ভিতরে এমন সুনাম অর্জন করল যে, সেই সময়ের কোান পালোয়ান তার সাথে মােকাবেলা করার সাহস পেতাে না। যুগের শ্রেষ্ঠ কুস্তিগীর বলে স্বীকৃতি পাওয়ায় তার মনে অহংকার মাথা চাড়া দিয়ে উঠল। এমন কি, একদিন সে বাদশার সামনে গল্প দিয়ে বসলাে য়ে, আমার ওস্তাদ যার কাছে আমি কুস্তি শিখেছি, শিক্ষাগুরু হিসাবে তিনি আমার চাইতে বড় ও সম্মানের পাত্র হতে পারেন বটে, কিন্তু শক্তি ও কলা- কৌশলে আমি তার চেয়ে কোন অংশে কম না। বাদশার কাছে কথাটা যুক্তিহীন মনে হল। তথনি তিনি প্রতিযোগিতার আদেশ দিলেন। প্রতিযােগিতার জন্য একটি বিরাট মাঠ নির্বাচন করা হল। ওস্তাদ ও ছাত্রের প্রতিযোগিতা দেখার জন্য দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গও সেই যুদ্ধ ময়দানে হাজির ...

উপদেশ মূলক গল্প

                      উপদেশ মূলক গল্প  একদিন এক কৃষকের গাধা গভীর কুয়ায় পড়ে গেলাে। গাধাটা করুণ সুরে কেঁদে কৃষকের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা চালাত লাগলো। কৃষক ভাবলাে যেহেতু গাধাটা বৃদ্ধ হয়ে গেছে, কাজেজই একে উদ্ধারের ঝমেলায় না গিয়ে মাটি ফেলে কুয়ার মাঝেই কবর দিয়ে ফেললেই ল্যাঠা চুকে যায়। কাজেই কৃষক শাবল দিয়ে মাটি ফেলতে লাগলাে গাধার উপর। প্রথমে গাধা ঘটনা আঁচ করতে পেরে চিতকার করে গলা ফাঁটিয়ে কাঁদতে লাগলো। কিন্তু কিছুক্ষণ পর সব শান্ত হয়ে গেলো। কৃষক এই নিরবতার কারণ উদঘাটন করতে গিয়ে কুয়ার ভিতর উকি দিয়ে অবাক হয়ে গেলো। প্রতিবার যে ই গাধাটার উপর মাটি ফেলা হয়েছে, সে তা পিঠ ঝাড়া দিয়ে ফেলে দিয়ে সেই মাটিকে ধাপ বানিয়ে একধাপ একধাপ করে বেশ খানিকটা উপরে উঠে এসেছে। এটা দেখে কৃষক আরো মাটি ফেললো এবং পরিশেষে গাধাটা বের হয়ে আসলো কুয়া থেকে। উপদেশঃ জীবন আপনার উপর শাবল ভর্তি মাটি ফেলবে এটাই স্বাভাবিক। আপনার কাজ হচ্ছে সেই চাপা দেয়ার মাটিকেই কাজে লাগিয়ে উপরে উঠা। প্রতিটি সমস্যাই আসলে সমাধানের একটি করে ধাপ, যদি আপনি তা কাজে লাগানোর মতো ইত...