Skip to main content

Posts

পাখি আার শিকারির গল্প

Recent posts

কুকর, কাকঁড়া ও শিয়ালের গল্প

              কুকর, কাকঁড়া ও শিয়ালের গল্প শিয়াল ও কুকুরের গল্প এক জনঙ্গল একটি শিয়াল ছিল। সে প্রতিদিন মানুষের বাড়ী থেকেও হাঁস-মুরগী চুরি করতো। কিন্তু সে যখন বৃদ্ধ হলাে, তখন শিকার করতে অক্ষম হয়ে পড়লো। তাই প্রায়ই সে চুরি করতে গিয়ে কুকুরের কাছে ধরা পরতো। ধরা পরার ভয়ে সে শিকার থেকে বিরত থাকতে চাইলাে। কিন্তু আহার না পেলে মৃত্যুর প্রহর গুনতে হবে। এনিয়ে সে বেশ চিন্তায় পড়ে গেল। হঠাৎ তার মাথায় একটি চমৎকার বুদ্ধি এলো। সে ভাবলো এবার আর অনাহারে কষ্ট করত হবে। অনায়াসেই পাওয়া যাবে অত্যন্ত সুস্বাদু খাবার! শয়ালের অন্যতম প্রধান  খাদ্য হচ্ছে কাঁকড়া। শিয়াল চিন্তা করলাে কাকড়া শিকার করেই সে বাকি দিনগুলি কাটাবে। ওখানে কুকুরেরও তাড়া খেতে হবেনা, আর বেশী শক্তিরও প্রয়োেজন হবেনা। কাকড়া শিকার করতে। কিন্তু যাবার সাথেই সাথেই কাকড়া তার গর্তে ঢুকলা। নিরূপায় হয়ে শিয়াল মশাই তার পান্ডিত্য প্রকাশের চিন্তা করতে লাগলো। হঠাৎ সে একটি মন ভুলানো গান রাচনা করলােঃ কাকুড়ি মাকুড়ি পরমা সুন্দরী, একটু বাহিরে এসো মোলাকাত করি। ভিতর থেকেই কাঁকড়া জবাব দিলঃ বাহিরে হেঁট...

গল্প নয় বাস্তব ঘটনা

                      একটি শিক্ষা মূলক গল্প  গল্প নয় সত্যি ঘটনা! এক লােকের একটা প্রভু ভক্ত কুকুর ছিল। লােকটা যখন বাইরে থেকে বাড়িতে আসতাে কুকুরটি তখন। লােকটার পায়ের কাছে এসে লেজ নাড়াতে নাড়াতে মালিকের কাপড় লােকটি যখন খেতে বসতো কুকুরটি তখন সামনে এসে বসে থাকতো। মালিক কিছু দিলে তাই খেতো। একদিন দুপুর বেলা লোকটি যখন খেতে বসলাে, কুকুরট তখন বরাবরের মত লােকটির সামনে এসে বস ছিল আর লেজ নাড়িয়ে, নাড়িয়ে মালিকের খাবার খাওয়া দেখছিল। লােকটি অনেক্ষন যাবত কুকুরতিকে কুকুরটি তার অবস্থান ছেড়ে মালিকের কাছাকাছি চলে গেলো, মালিক যদিতখন লােকটির মাথায় বিভিন্ন টেনশন কাজ করতেছিল। কুকুরটি যখন খাওয়ার জন্য লোকটির কাছে যেয়ে মুখ বাড়িয়ে দিল, তখন সব রাগ সেই কুকুরটির উপরে ঝাড়লাে। কুকুরটাকে লোকটি ইচ্ছেমত মারলাে। অবলা কুকুর আর কি বলবে? মাথা নিচু করে মালিকের মার খেলো এবং ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে উঠানের এক কোনে মাথা নিচু করে বসে রইলো। এরপর লোকটি বাইরে থেকে রাত্রে যখন বাড়িতে এলাে, তখন লোকটি তার সেই প্রভু ভক্ত কুকুরটিকে আর দেখতে পেলোনা। লােকটি সারা বাড়ি...

ত্যাগি সবসময় নিঃস্বার্থ ত্যাগি করে যায়

            তাগি সব সময় নিস্বার্থ ত্যাগ করে যায় অনেক অনেক দিন আগে একটি বড় আপেল গাছ ছিল। একটি বালককে গাছটি খুবে পছন্দ করতোে। বালকটিও প্রতিদিন এসে গাছের চারপাশে খেলতাে। গাছের ডালে উঠত। আপেল খত। সেও গাছটিকে খুব ভালবাসতাে আর আপেল গাছটি ও এতে খুবই আনন্দিত ছিল। সময় গড়িয়ে যায়, কিন্তু অনেক দিন বালক আর গাছের নিচে খেলতে আসে না। একদিন হটাৎ বালকটিআবার গাছের কাছে ফিরে এলে।গাছটি বললাে, তুমি আবার ফিরে আসায় আমি খুব আনন্দিত। এসাে, আবার খেলা শুরু করো কিন্তু বালকটি শুধালো, আমি এখন আর আগের বালকটি নেই। এখন আমি আর গাছের গুড়িতে দৌড়াদৌড়ি করে খেলা করি না। আমার এখন খেলনাচাই, কিন্তু খেলনা কিনতে টাকা প্রয়োজন। গাছটি বললো,কিন্তু আমার কাছে তো টাকা নেই। তুমি চাইলে আমার সকল আপেল পেরে বাজারে বিক্রি করে টাকা জোগাড় করত পারো। কথাটি বালকটির খুব মনপুত হলো। সে সব আপেল গাছ থেকে পেরে ব্যাগে করে নিয়ে বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হলো। বালকটি খুবআনন্দিত এবং বালকের আনন্দ দেখে গাছটিও খুব তৃপ্ত ও আনন্দিত হলো। আপেল পেরে নিয়ে যাওয়ার পর নেকদিন আর বালকটির দেখা নেই সেই আপেল গাছের গোঁড়ায়। গাছটি খুব ...

এক রাজার গল্প

                        এক রাজা গল্প  এক দেশে ছিল এক প্রতাপশালী রাজা। রাজা যেমন ছিল প্রতাপশালী তেমনি ছিল নৈতিক চরিত্রবান। একদিন রাজা তার সভাসদদের ডেকে বললেন, "আমি তা বৃদ্ধ হয়ে গেছি এখন আমার করা দরকার। এই কথা শুনে সভাসদ সবাই হতবাক। সভাসদ সবাই বলে উঠলাো, "রাজা মহাশয় আপনি তার নাম বলুন। আমরা তার আজ্ঞাবহ হয়ে যাব। রাজা বললেন, "সেটাই তাে সমস্যা। কার নাম বলবো, কাউকে তো আমার মত দেখছি না।" এই কথা শুনে সভাসদ সবাই আবারও অবাক। তারা ভাবছে রাজার এতগুলো।কাউকে দেখছে না কেন? হঠাৎ রাজা সভাসদকে হুকুম দিলন যে রাজে্যের যত কিশাের বালক আছে তাদেরকে একদিন রাজ্যের সকল কিশোরদের হাজির করানো হলা। রাজা সকল কিশােরদের উদ্দেশ্য ঘোষনা করলেন, "শােন বাছা আমি বৃদ্ধ হয়ে গেছি। আমি চাই তােমাদের মধ্য থেকে কেউ একজন রাজ্যের রাজা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করো। কিন্তু তোামাদের মধ্যে কে কিভাবে জানবো। সেটা বের করার জন্য তােমাদের এখানে ডেকেছি। এই ঘােষনা শুনে সব কিশোররা তাে মহা খুশি সাথে তাদের বাবা/মারাও। সবাই স্বপ্ন দেখতে শুরু করে দিল যে এবার রাজা গন্ভীর কণ্ঠে আবার ঘোষন...

দুর্বলকে কখনো অবহেলা করো না

  দূর্বলকে কখনো অবহেলা করা ঠিক না। এক গ্রামে অনেক গুলো সবল ছেল পেলেদের মধ্যে একটি মাত্র দূর্বল ছেলে। তাই সবাই তাকে কিছুটা অবজ্ঞা করেই চলত। দূর্বল ছেলেটির খেলাধুলা কিংবা অন্য কোন কিছুতে অংশগ্রহন ছিল না বললেই চলে। গ্রামের ছেলে পেলেরা ছোট একটা নদী অপর পারে পাহাড়ের কোল মাঠের মত একটা জায়গায় খেলতে যেত। দূর্বল ছেলেটিও সংগে যেত, যদিও মাঠের একপাশে বসিয়ে রাখা হত তাকে। গাজ পালায় ঢেকে থাকা বনটতে ভয়ংকর সব পশুর আনাগোনাও ছিল, যদিও দিনের বেলায় মাঠের দিকটা ছিল নিরাপদ। ঝড়াে আবহাওয়ার এক বিকেলে, সব ভয়কে উপেক্ষা করেই গ্রামের ছেলে পেলেরা রওয়ানা দিল খেলার মাঠের দিকে। বিকেল যতই গড়াতে লাগল ঝড়ের বেগও বাড়তে লাগল পাল্লা দিয়ে। ঝড় একসময় তীব্র রূপ ধারন করল। টনক নড়ল ছেলেগুলোর, দৌড়ে আশ্রয় নিল গূহার মত একটি জায়গায়। দূর্বল ছেলেটি আগে থেকেই ওখানে আশ্রয় নিয়েছিল। ঝড় তখন দানবীয় রূপে গাছপালা সব তছনছ করে ফেলছে। একটি গাছ শেকড়শহ উপড়ে এসে পড়ল গূহার মুখে। ঝড় কিছুটা কমে আসতেই ছেলেগুলা হাতলাগালাে গাছটাকে সরানোর। কাজটি তাড়াতারি সাড়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠল তারা। সন্ধ্যার ঘনিয়ে আসা অন্ধকার ভয়ের মাত্...

বিনা চেষ্টায় লাভবান

                    বিনা চেষ্টায় লাভবান                                      একটা হরিন নিয়ে এক সিংহ আর ভালুকের মধ্যে এমন লড়াই হলো যে দুই জনই রীতিমত জখম হয়ে পড়ল, নড়বার শক্তি রইলনা কারোরই, একেবারে সংজ্ঞাহীন মৃত প্রায়। এক শিয়াল ঐ পথ দিয়ে যেতে যেতে দুই মহাবীরের ঐ অবস্থা দখে এবং একটা হরিন দুইজনের মাঝে পড়ে থাকতে দেখে সে সেটা কামড়ে ধরে হাটা  দিল। উথান শক্তি রহিত এরা দুজন তখন নিজেদের মধ্যে বলাবলি করতে লাগল, -ভাগ্য আর কাকে বলে, হরিণটার জন্য আমরা লড়াই করে মরলাম, আর কিছু না করে সেটা পেয়ে গেল একটা শিয়াল। ➤ উপদেশ নিজেদের পরিশ্রমল্ধে ধন যখন নিজেদের ভােগে না এসে নিস্করমা অপরের ভােগে লেগে যায় তখন সেটা দুঃখের কারন হয়ে দাঁড়ায় বই কি!